ট্রেনের মধ্যে রা*জনীতি আলাপ করতে নিষেধ করায় চলন্ত ট্রেনের বি….
Dhaka , Monday, 8 June 2026
News Title :
কলেজ থেকে দুই বান্ধবীকে নিয়ে দুই বন্ধু ৫ দিন ধরে… না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি সাবেক ক্রিকেটার…. ঈদের ছুটিতে বাসায় আসার সময় হার*বাল কিনে আনে, রাতে হার*বাল খেয়ে বউ এর… বাসা থেকে গার্মেন্টসের কাজের কথা বলে ঢাকা যায়, কিন্তু গার্মেন্টসে কাজ না করে প্রতিরাতে আবা…. মায়ের লা*শ প’চে যাওয়ায় সন্তানদের সবাই দো’ষ দিল কিন্তু তদন্তে বেরিয়ে এলো ভিন্ন তথ্য জানা গেছে…. মেয়েটি বিয়ের দিনে সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলে যে আমার স্বামী… খাটের নিচে গ্রামবাসীরা এসে দেখে একটা ছেলে।পু*লি’শ’কে খবর দিতেই আসল র’হস্যা উ… খুলনায় পাট ক্ষে’তে মিললো টা’কা বস্তা!!ধারণা করা হচ্ছে আ… আধুনিক যন্ত্রপাতি যেখানে কাজ করে না,সেইখানেই মি”রা”ক্কেল ঘটালেন ডাক্টর… ১৪ বছরের এই ছেলে কাউকে না বলে বউ নিয়ে বাড়িতে হাজির তারপর তার বাবা…
News Title :
কলেজ থেকে দুই বান্ধবীকে নিয়ে দুই বন্ধু ৫ দিন ধরে… না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি সাবেক ক্রিকেটার…. ঈদের ছুটিতে বাসায় আসার সময় হার*বাল কিনে আনে, রাতে হার*বাল খেয়ে বউ এর… বাসা থেকে গার্মেন্টসের কাজের কথা বলে ঢাকা যায়, কিন্তু গার্মেন্টসে কাজ না করে প্রতিরাতে আবা…. মায়ের লা*শ প’চে যাওয়ায় সন্তানদের সবাই দো’ষ দিল কিন্তু তদন্তে বেরিয়ে এলো ভিন্ন তথ্য জানা গেছে…. মেয়েটি বিয়ের দিনে সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলে যে আমার স্বামী… খাটের নিচে গ্রামবাসীরা এসে দেখে একটা ছেলে।পু*লি’শ’কে খবর দিতেই আসল র’হস্যা উ… খুলনায় পাট ক্ষে’তে মিললো টা’কা বস্তা!!ধারণা করা হচ্ছে আ… আধুনিক যন্ত্রপাতি যেখানে কাজ করে না,সেইখানেই মি”রা”ক্কেল ঘটালেন ডাক্টর… ১৪ বছরের এই ছেলে কাউকে না বলে বউ নিয়ে বাড়িতে হাজির তারপর তার বাবা…

ট্রেনের মধ্যে রা*জনীতি আলাপ করতে নিষেধ করায় চলন্ত ট্রেনের বি….

  • Reporter Name
  • Update Time : 12:08 pm, Saturday, 6 June 2026
  • 5016 Time View

টিকিটধারী যাত্রীদের ওপর এভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছিল ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে। রেলওয়ের তদন্তে যাত্রীদের মারধরের প্রকৃত অবস্থা জানা যায়। এ ঘটনা ঘটে ৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মেথিকান্দা স্টেশনে।

ট্রেনের টিকিট না থাকার পরেও শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বগিতে ওঠেন। টিকিটবিহীন যাত্রীদের বগি থেকে বের করে দিতে রেলকর্মীদের অনুরোধ জানান টিকিটধারী যাত্রীরা। এ নিয়ে শুরু হয় কথা-কাটাকাটি, একপর্যায়ে হাতাহাতি। মুঠোফোনের মাধ্যমে ফোন করেন বিনা টিকিটের এক যাত্রী। অপর প্রান্তের ব্যক্তিকে বলেন, স্টেশনে ১০-১২ জন লোক নিয়ে থাকতে। স্টেশনে ট্রেন থামতেই হুড়মুড় করে ওঠে পড়েন আগে থেকে থাকা লোকগুলো। বগির ভেতরে থাকা যাত্রীদের মারধর করতে থাকেন। ট্রেন ছাড়তেই নেমে পড়েন।

টিকিটধারী যাত্রীদের ওপর এভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছিল ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে। রেলওয়ের তদন্তে যাত্রীদের মারধরের প্রকৃত অবস্থা জানা যায়। এ ঘটনা ঘটে ৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মেথিকান্দা স্টেশনে।

ট্রেনের যাত্রীদের ওপর এমন হামলার ঘটনায় বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনিসুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে রেলওয়ে। কমিটি সম্প্রতি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

এমন ঘটনার জন্য রেলের অন্তত আটজন কর্মীর অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে কমিটি। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া যেসব স্টেশন থেকে বিনা টিকিটের যাত্রী বেশি ওঠে এবং উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন, সেসব স্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ বাতিলেরও পক্ষে মত দিয়েছেন কমিটির সদস্যরা। বিশেষ করে নরসিংদী ও মেথিকান্দা স্টেশনে এই ধরনের ঘটনা ঘটে বেশি বলে প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি।

তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ট্রেনের টিকিটধারী যাত্রীদের ওপর হামলার ঘটনা মেনে নেওয়ার মতো না। যাঁদের অবহেলা ও গাফিলতিতে এ ঘটনা ঘটেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। কিছু কিছু স্টেশনে এ ধরনের ঘটনা ঘটে। তার প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বলা হয়েছে।

যা ঘটেছিল

৬ এপ্রিল বিকেল পৌনে ৫টায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেন। ওই ট্রেনে বগি ছিল ১৮টি। ‘গ’ বগিতে টিকিটধারী যাত্রীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

তদন্ত কমিটি মারামারির ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে চট্টলা এক্সপ্রেসে এবং রেলের বিভিন্ন দপ্তরে দায়িত্বরত ১৩ কর্মীর সঙ্গে কথা বলে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ভ্রমণকারী টিকিট পরীক্ষক (টিটিই), গার্ড বা পরিচালক, খালাসি, সহকারী স্টেশনমাস্টার, কাটারিং ব্যবস্থাপক, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর পরিদর্শক ও সিপাহি, রেলওয়ে থানার কনস্টেবল।

চট্টলা এক্সপ্রেসে দায়িত্বরত রেলের কর্মীরা জানান, ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ বগি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বগি। কিন্তু এসব বগিতে স্ট্যান্ডিং টিকিট ও বিনা টিকিটের প্রচুর যাত্রী ছিলেন। অথচ তাঁদের এখানে আসার সুযোগ নেই। টিকিটধারী যাত্রীরা বারবার এসব যাত্রীদের বগি থেকে বের করে দেওয়ার অনুরোধ জানান। এ নিয়ে কথা–কাটাকাটি হয়।

পরে আরএনবি, রেলওয়ে পুলিশ ও টিটিইদের সহায়তায় এসি বগি থেকে বিনা টিকিটের যাত্রীদের বের করে দেওয়া হয়। ‘গ’ বগির এক পাশে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ১০-১২ জন যাত্রী তালা ভেঙে আবার প্রবেশ করেন। এরপর তাঁরা যাত্রীদের সঙ্গে মারামারিতে লিপ্ত হন। এর মধ্যে ওই যাত্রীদের একজন ফোন করে মেথিকান্দা স্টেশনে ১০-১২ জন লোককে থাকতে বলেন। বগিগুলোতে যাত্রীদের চাপ থাকায় রেলওয়ে পুলিশ ও আরএনবির সদস্যরা ঠিক সময়ে আসতে পারেননি। এর মধ্যে মেথিকান্দা স্টেশনে ট্রেন থামে। সঙ্গে সঙ্গে বাইরে থেকে ১০-১২ জন লোক ট্রেনের বগির ভেতর এসে যাত্রীদের এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকেন। রেলের কর্মীদেরও মারতে চেষ্টা করেন। বগির ভেতরে থাকা অন্য যাত্রীরা চেষ্টা করেও তাঁদের থামাতে পারেননি। পরে ট্রেন ছেড়ে দিলে হামলাকারীরা দ্রুত নেমে পড়েন।

এই হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি–ইচ্ছুক এক ছাত্র, তাঁর সঙ্গে পরিবারের দুই সদস্য এবং এক চাকরিজীবী আহত হয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কলেজ থেকে দুই বান্ধবীকে নিয়ে দুই বন্ধু ৫ দিন ধরে…

ট্রেনের মধ্যে রা*জনীতি আলাপ করতে নিষেধ করায় চলন্ত ট্রেনের বি….

Update Time : 12:08 pm, Saturday, 6 June 2026

টিকিটধারী যাত্রীদের ওপর এভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছিল ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে। রেলওয়ের তদন্তে যাত্রীদের মারধরের প্রকৃত অবস্থা জানা যায়। এ ঘটনা ঘটে ৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মেথিকান্দা স্টেশনে।

ট্রেনের টিকিট না থাকার পরেও শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বগিতে ওঠেন। টিকিটবিহীন যাত্রীদের বগি থেকে বের করে দিতে রেলকর্মীদের অনুরোধ জানান টিকিটধারী যাত্রীরা। এ নিয়ে শুরু হয় কথা-কাটাকাটি, একপর্যায়ে হাতাহাতি। মুঠোফোনের মাধ্যমে ফোন করেন বিনা টিকিটের এক যাত্রী। অপর প্রান্তের ব্যক্তিকে বলেন, স্টেশনে ১০-১২ জন লোক নিয়ে থাকতে। স্টেশনে ট্রেন থামতেই হুড়মুড় করে ওঠে পড়েন আগে থেকে থাকা লোকগুলো। বগির ভেতরে থাকা যাত্রীদের মারধর করতে থাকেন। ট্রেন ছাড়তেই নেমে পড়েন।

টিকিটধারী যাত্রীদের ওপর এভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছিল ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে। রেলওয়ের তদন্তে যাত্রীদের মারধরের প্রকৃত অবস্থা জানা যায়। এ ঘটনা ঘটে ৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মেথিকান্দা স্টেশনে।

ট্রেনের যাত্রীদের ওপর এমন হামলার ঘটনায় বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনিসুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে রেলওয়ে। কমিটি সম্প্রতি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

এমন ঘটনার জন্য রেলের অন্তত আটজন কর্মীর অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে কমিটি। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া যেসব স্টেশন থেকে বিনা টিকিটের যাত্রী বেশি ওঠে এবং উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন, সেসব স্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ বাতিলেরও পক্ষে মত দিয়েছেন কমিটির সদস্যরা। বিশেষ করে নরসিংদী ও মেথিকান্দা স্টেশনে এই ধরনের ঘটনা ঘটে বেশি বলে প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি।

তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ট্রেনের টিকিটধারী যাত্রীদের ওপর হামলার ঘটনা মেনে নেওয়ার মতো না। যাঁদের অবহেলা ও গাফিলতিতে এ ঘটনা ঘটেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। কিছু কিছু স্টেশনে এ ধরনের ঘটনা ঘটে। তার প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বলা হয়েছে।

যা ঘটেছিল

৬ এপ্রিল বিকেল পৌনে ৫টায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেন। ওই ট্রেনে বগি ছিল ১৮টি। ‘গ’ বগিতে টিকিটধারী যাত্রীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

তদন্ত কমিটি মারামারির ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে চট্টলা এক্সপ্রেসে এবং রেলের বিভিন্ন দপ্তরে দায়িত্বরত ১৩ কর্মীর সঙ্গে কথা বলে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ভ্রমণকারী টিকিট পরীক্ষক (টিটিই), গার্ড বা পরিচালক, খালাসি, সহকারী স্টেশনমাস্টার, কাটারিং ব্যবস্থাপক, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর পরিদর্শক ও সিপাহি, রেলওয়ে থানার কনস্টেবল।

চট্টলা এক্সপ্রেসে দায়িত্বরত রেলের কর্মীরা জানান, ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ বগি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বগি। কিন্তু এসব বগিতে স্ট্যান্ডিং টিকিট ও বিনা টিকিটের প্রচুর যাত্রী ছিলেন। অথচ তাঁদের এখানে আসার সুযোগ নেই। টিকিটধারী যাত্রীরা বারবার এসব যাত্রীদের বগি থেকে বের করে দেওয়ার অনুরোধ জানান। এ নিয়ে কথা–কাটাকাটি হয়।

পরে আরএনবি, রেলওয়ে পুলিশ ও টিটিইদের সহায়তায় এসি বগি থেকে বিনা টিকিটের যাত্রীদের বের করে দেওয়া হয়। ‘গ’ বগির এক পাশে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ১০-১২ জন যাত্রী তালা ভেঙে আবার প্রবেশ করেন। এরপর তাঁরা যাত্রীদের সঙ্গে মারামারিতে লিপ্ত হন। এর মধ্যে ওই যাত্রীদের একজন ফোন করে মেথিকান্দা স্টেশনে ১০-১২ জন লোককে থাকতে বলেন। বগিগুলোতে যাত্রীদের চাপ থাকায় রেলওয়ে পুলিশ ও আরএনবির সদস্যরা ঠিক সময়ে আসতে পারেননি। এর মধ্যে মেথিকান্দা স্টেশনে ট্রেন থামে। সঙ্গে সঙ্গে বাইরে থেকে ১০-১২ জন লোক ট্রেনের বগির ভেতর এসে যাত্রীদের এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকেন। রেলের কর্মীদেরও মারতে চেষ্টা করেন। বগির ভেতরে থাকা অন্য যাত্রীরা চেষ্টা করেও তাঁদের থামাতে পারেননি। পরে ট্রেন ছেড়ে দিলে হামলাকারীরা দ্রুত নেমে পড়েন।

এই হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি–ইচ্ছুক এক ছাত্র, তাঁর সঙ্গে পরিবারের দুই সদস্য এবং এক চাকরিজীবী আহত হয়েছেন।