স্ত্রী অন্য পুরুষের সাথে যৌ”ন মি”লন কর…See more
Dhaka , Monday, 15 June 2026
News Title :
বাবা হলেন হাসনাত, মেয়ের নাম হাসিনা। এ ঘটনায় নাহিদ মজা করে বলে… সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের জন্য সুসংবাদ পুনরায় আবার… বরিশালে ডা’কা’তি করতে গিয়ে জিনিসপত্র নেওয়ার পর ঘরে থাকা প্রবাসীর বউ কে… অবশেষে সংসদে ২৬৫ সদস্যের ভোট পেয়ে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন জ… অবশেষে বিয়ে করতে যাচ্ছে জাইমা রহমান।পাত্র হলেন সাবেক মন্ত্রীর একমাত্র… বাচ্চারা ঘুমিয়ে পড়েছে তাই মশারি টানাতে যাচ্ছিলাম হঠাৎ মশারির উপরে তাকিয়ে দেখি… হিজড়া সুন্দরী হলেও তাদের ৩টি জিনিসে ভুলেও হাত দেবেন না…..see more ঢাকা মিরপুরে ঘ’টে গেল এমন একটি ঘ’টনা সন্ধ্যা ৭ টার সময় পুলিশের একটি….. See more মাওলানা মিজানুর রহমান মা’রা গেছেন বাবা হলেন হাসনাত, মেয়ের নাম হাসিনা। এ ঘটনায় নাহিদ মজা করে বলে… see more
News Title :
বাবা হলেন হাসনাত, মেয়ের নাম হাসিনা। এ ঘটনায় নাহিদ মজা করে বলে… সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের জন্য সুসংবাদ পুনরায় আবার… বরিশালে ডা’কা’তি করতে গিয়ে জিনিসপত্র নেওয়ার পর ঘরে থাকা প্রবাসীর বউ কে… অবশেষে সংসদে ২৬৫ সদস্যের ভোট পেয়ে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন জ… অবশেষে বিয়ে করতে যাচ্ছে জাইমা রহমান।পাত্র হলেন সাবেক মন্ত্রীর একমাত্র… বাচ্চারা ঘুমিয়ে পড়েছে তাই মশারি টানাতে যাচ্ছিলাম হঠাৎ মশারির উপরে তাকিয়ে দেখি… হিজড়া সুন্দরী হলেও তাদের ৩টি জিনিসে ভুলেও হাত দেবেন না…..see more ঢাকা মিরপুরে ঘ’টে গেল এমন একটি ঘ’টনা সন্ধ্যা ৭ টার সময় পুলিশের একটি….. See more মাওলানা মিজানুর রহমান মা’রা গেছেন বাবা হলেন হাসনাত, মেয়ের নাম হাসিনা। এ ঘটনায় নাহিদ মজা করে বলে… see more

স্ত্রী অন্য পুরুষের সাথে যৌ”ন মি”লন কর…See more

একের পর এক পরপুরুষদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করে চলেছেন স্ত্রী। কিন্তু দেখেও না দেখার ভান করছেন অসহায় স্বামী। কিছুই বলতে পারছেন না তিনি। আর বলবেন-ই বা কি করে? তার স্ত্রী যে জটিল রোগে ভুগছেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যার নাম নিম্ফোম্যানিয়াক ডিজ়িজ উইথ সাইকোটিক ডাইমেনশনে। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক পুরো ঘটনা।

ঘটনার শুরু বছর পাঁচেক আগে। স্থান ভারতের উত্তর প্রদেশ। সেখানে এক তরুণীর প্রেমে পড়ে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা ওই যুবক। এরপর তাকে বিয়ে করেন। এর কয়েক মাস পরেই তিনি জানতে পরেন তার স্ত্রী ভয়াবহ এক মানসিক রোগে আক্রান্ত। শুধু তাই নয়, ওই নারী একাধিক পুরুষের সঙ্গে যৌনতাও করেছেন। এসব জানার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন ওই যুবক। তখন স্বামীকে তালাক দেয়ার কথা বলেছিলেন তার স্ত্রী। কিন্তু স্ত্রীকে যে বড্ড বেশি ভালোবাসেন ওই যুবক। তাই তিনি স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য সর্বত্র ছুটে বেরিয়েছিলেন।

ওই যুবকের তরুণী স্ত্রী আক্রান্ত হয়েছিলেন নিম্ফোম্যানিয়াক ডিজ়িজ উইথ সাইকোটিক ডাইমেনশন রোগে। এ ধরনের রুগীরা নিজের অজান্তেই অন্য পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। কেননা ওই রোগে শরীরে অস্বাভাবিক যৌন চাহিদা তৈরি হয়। ওই যুবকের স্ত্রীও পরপুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করেছিলেন। কিন্তু সব জানার পরও এ নিয়ে কিছু বলার ছিল না ওই যুবকের। তিনি কেবল চিকিৎসকদের কাছে ছুটোছুটি করেছেন। যাতে এই ভয়াবহ মানসিক রোগ থেকে নিজের স্ত্রীকে সারিয়ে তোলা যায়।

শেষমেষ এসএসকেএমের ‘ইনস্টিটিউট অব সাইকায়াট্রি’-তে এসে কয়েক মাসের চিকিৎসার পরে আপাতত সুস্থ সেই তরুণী। হাসি ফুটেছে স্বামীর মুখেও।

ইনস্টিটিউট অব সাইকায়াট্রি-র ক্লিনিকের মালিক চিকিৎসক প্রদীপ সাহা জানান, এসব রুগীদের মনে দ্বৈত সত্তা কাজ করে। মনস্তত্ত্বের এই পর্যায়কে অন্য ভাবে ব্যাখ্যা করা যায় না। তবে এ ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা খুবই কম। তিনি বলেন, ‘আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় এ ধরনের মাত্র দু’টি ঘটনা পেয়েছি।’

ওই যুবক জানান, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাদের পরিচয়। এরপরে বিয়ের সিদ্ধান্ত। বিয়ের সাত মাস সব ঠিক ছিল। একদিন হঠাৎ খুব হিংস্র হয়ে যায় তার স্ত্রী। কারণ অনুসন্ধানে নেমে ওই যুবক জানতে পারেন, আট বছর বয়সে তার স্ত্রী চোখের সামনে এক বালককে লরির চাকার পিষ্ট হতে দেখেছিলেন। তারপর থেকে যাবতীয় অদ্ভুত আচরণের সূত্রপাত।

স্ত্রীর অতীত জানার পরে তাকে মনোরোগ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান যুবক। তবে লাভ হয়নি। স্ত্রীর অসুস্থতা প্রভাব ফেলেছিল দাম্পত্য জীবনে।

যুবকটি জানান, তিনি দুবাইয়ে থাকতেন। স্ত্রী থাকতেন দেশে। দু’জনের মধ্যে ব্যবধান কমলে যদি সমস্যার সমাধান হয়, সেই আশায় স্ত্রীকে নিয়ে তিনি দুবাইয়ে চলেও যান। কিন্তু সমস্যা মেটেনি। উল্টো যুবকটি জানতে পারেন তার অনুপস্থিতিতে একাধিক পুরুষের সঙ্গে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। যুবক এর কারণ খুঁজেতে যেয়ে দেখেন, তার স্ত্রী ইচ্ছে করে এসব করেননি, মনের অজান্তে সব হয়ে গেছে।

তার স্ত্রীর বলেন, কেউ যেন তাকে ডাকত। তিনি তখন সব ফেলে ছুটে যেতেন ওই ব্যক্তির কাছে। এরপর যৌন মিলন হয়ে যেত। এরপর ঘোর কেটে গেলে নিজের ভুল বুঝতে পারতেন ওই তরুণী। কেঁদে কেঁদে স্বামীকে বলতেন, ‘আমাকে ছেড়ে দাও। আমি তোমার জীবনটা নষ্ট করে দিচ্ছি।’

এ নিয়ে চিকিৎসক প্রদীপ সাহা বলেন, এই নারী ঘোরের মধ্যে কী করছেন, কার সঙ্গে যাচ্ছেন, তা বোঝার মতো অবস্থা তার ছিল না। উনি যে বিপদে পড়তে পারেন, সেই ভাবনাও আসত না। একে বলে অডিটরি হ্যালুসিনেশন। মেয়েটি মনে করত কেউ তাকে ডাকছে। অবচেতন মনে অবাঞ্ছিত দৃশ্য তার চোখের সামনে ভেসে উঠত।’

যুবকটি জানান, স্ত্রীকে সুস্থ করতে ভারতের বড় বড় হাসপাতালে ছুটাছুটি করেও কোনও উপকার পাননি। শেষে এসএসকেএমের ‘ইনস্টিটিউট অব সাইকায়াট্রি’তে গত মে মাস চিকিৎসার পরে তরুণী এখন সুস্থ।

স্বামী বলেন, ‘অন্য জনের সঙ্গে সম্পর্কের কথা জেনে প্রথমে তেরো দিন কথা বলিনি। যখন বুঝলাম ও অসুস্থ, তখন অভিমান দূরে রেখে ভালবেসেই বুকে জড়িয়ে ধরেছি!’

চিকিৎসক প্রদীপ সাহা যুবকের এই মহানুভবতার প্রশংসা করে বলেন, ‘তিনি যেভাবে স্ত্রীর পাশে থেকেছেন, তার চিকিৎসা করিয়েছেন, তার তুলনা মেলা ভার।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বাবা হলেন হাসনাত, মেয়ের নাম হাসিনা। এ ঘটনায় নাহিদ মজা করে বলে…

স্ত্রী অন্য পুরুষের সাথে যৌ”ন মি”লন কর…See more

Update Time : 17 Hours Ago

একের পর এক পরপুরুষদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করে চলেছেন স্ত্রী। কিন্তু দেখেও না দেখার ভান করছেন অসহায় স্বামী। কিছুই বলতে পারছেন না তিনি। আর বলবেন-ই বা কি করে? তার স্ত্রী যে জটিল রোগে ভুগছেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যার নাম নিম্ফোম্যানিয়াক ডিজ়িজ উইথ সাইকোটিক ডাইমেনশনে। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক পুরো ঘটনা।

ঘটনার শুরু বছর পাঁচেক আগে। স্থান ভারতের উত্তর প্রদেশ। সেখানে এক তরুণীর প্রেমে পড়ে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা ওই যুবক। এরপর তাকে বিয়ে করেন। এর কয়েক মাস পরেই তিনি জানতে পরেন তার স্ত্রী ভয়াবহ এক মানসিক রোগে আক্রান্ত। শুধু তাই নয়, ওই নারী একাধিক পুরুষের সঙ্গে যৌনতাও করেছেন। এসব জানার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন ওই যুবক। তখন স্বামীকে তালাক দেয়ার কথা বলেছিলেন তার স্ত্রী। কিন্তু স্ত্রীকে যে বড্ড বেশি ভালোবাসেন ওই যুবক। তাই তিনি স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য সর্বত্র ছুটে বেরিয়েছিলেন।

ওই যুবকের তরুণী স্ত্রী আক্রান্ত হয়েছিলেন নিম্ফোম্যানিয়াক ডিজ়িজ উইথ সাইকোটিক ডাইমেনশন রোগে। এ ধরনের রুগীরা নিজের অজান্তেই অন্য পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। কেননা ওই রোগে শরীরে অস্বাভাবিক যৌন চাহিদা তৈরি হয়। ওই যুবকের স্ত্রীও পরপুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করেছিলেন। কিন্তু সব জানার পরও এ নিয়ে কিছু বলার ছিল না ওই যুবকের। তিনি কেবল চিকিৎসকদের কাছে ছুটোছুটি করেছেন। যাতে এই ভয়াবহ মানসিক রোগ থেকে নিজের স্ত্রীকে সারিয়ে তোলা যায়।

শেষমেষ এসএসকেএমের ‘ইনস্টিটিউট অব সাইকায়াট্রি’-তে এসে কয়েক মাসের চিকিৎসার পরে আপাতত সুস্থ সেই তরুণী। হাসি ফুটেছে স্বামীর মুখেও।

ইনস্টিটিউট অব সাইকায়াট্রি-র ক্লিনিকের মালিক চিকিৎসক প্রদীপ সাহা জানান, এসব রুগীদের মনে দ্বৈত সত্তা কাজ করে। মনস্তত্ত্বের এই পর্যায়কে অন্য ভাবে ব্যাখ্যা করা যায় না। তবে এ ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা খুবই কম। তিনি বলেন, ‘আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় এ ধরনের মাত্র দু’টি ঘটনা পেয়েছি।’

ওই যুবক জানান, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাদের পরিচয়। এরপরে বিয়ের সিদ্ধান্ত। বিয়ের সাত মাস সব ঠিক ছিল। একদিন হঠাৎ খুব হিংস্র হয়ে যায় তার স্ত্রী। কারণ অনুসন্ধানে নেমে ওই যুবক জানতে পারেন, আট বছর বয়সে তার স্ত্রী চোখের সামনে এক বালককে লরির চাকার পিষ্ট হতে দেখেছিলেন। তারপর থেকে যাবতীয় অদ্ভুত আচরণের সূত্রপাত।

স্ত্রীর অতীত জানার পরে তাকে মনোরোগ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান যুবক। তবে লাভ হয়নি। স্ত্রীর অসুস্থতা প্রভাব ফেলেছিল দাম্পত্য জীবনে।

যুবকটি জানান, তিনি দুবাইয়ে থাকতেন। স্ত্রী থাকতেন দেশে। দু’জনের মধ্যে ব্যবধান কমলে যদি সমস্যার সমাধান হয়, সেই আশায় স্ত্রীকে নিয়ে তিনি দুবাইয়ে চলেও যান। কিন্তু সমস্যা মেটেনি। উল্টো যুবকটি জানতে পারেন তার অনুপস্থিতিতে একাধিক পুরুষের সঙ্গে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। যুবক এর কারণ খুঁজেতে যেয়ে দেখেন, তার স্ত্রী ইচ্ছে করে এসব করেননি, মনের অজান্তে সব হয়ে গেছে।

তার স্ত্রীর বলেন, কেউ যেন তাকে ডাকত। তিনি তখন সব ফেলে ছুটে যেতেন ওই ব্যক্তির কাছে। এরপর যৌন মিলন হয়ে যেত। এরপর ঘোর কেটে গেলে নিজের ভুল বুঝতে পারতেন ওই তরুণী। কেঁদে কেঁদে স্বামীকে বলতেন, ‘আমাকে ছেড়ে দাও। আমি তোমার জীবনটা নষ্ট করে দিচ্ছি।’

এ নিয়ে চিকিৎসক প্রদীপ সাহা বলেন, এই নারী ঘোরের মধ্যে কী করছেন, কার সঙ্গে যাচ্ছেন, তা বোঝার মতো অবস্থা তার ছিল না। উনি যে বিপদে পড়তে পারেন, সেই ভাবনাও আসত না। একে বলে অডিটরি হ্যালুসিনেশন। মেয়েটি মনে করত কেউ তাকে ডাকছে। অবচেতন মনে অবাঞ্ছিত দৃশ্য তার চোখের সামনে ভেসে উঠত।’

যুবকটি জানান, স্ত্রীকে সুস্থ করতে ভারতের বড় বড় হাসপাতালে ছুটাছুটি করেও কোনও উপকার পাননি। শেষে এসএসকেএমের ‘ইনস্টিটিউট অব সাইকায়াট্রি’তে গত মে মাস চিকিৎসার পরে তরুণী এখন সুস্থ।

স্বামী বলেন, ‘অন্য জনের সঙ্গে সম্পর্কের কথা জেনে প্রথমে তেরো দিন কথা বলিনি। যখন বুঝলাম ও অসুস্থ, তখন অভিমান দূরে রেখে ভালবেসেই বুকে জড়িয়ে ধরেছি!’

চিকিৎসক প্রদীপ সাহা যুবকের এই মহানুভবতার প্রশংসা করে বলেন, ‘তিনি যেভাবে স্ত্রীর পাশে থেকেছেন, তার চিকিৎসা করিয়েছেন, তার তুলনা মেলা ভার।’