ফিরিয়ে আনা তরুণী বললো আবারো যাবো দৌ*লত*দিয়া পল্লীতে
Dhaka , Saturday, 13 June 2026
News Title :
ফুটবল প্রেমি বালক কাঁচা বাঁশের মাথায় প্রিয় দলের পতাকা বেঁধে উড়াতে চেয়েছিল আম গাছের মাথায় হঠাৎ… বাজার এ ছড়িয়ে পরছে ন’কল প্লাস্টিকের ডিম ন’কল প্লাস্টিকের ডিম চিনার উপায় হইল ডি… পুত্র সন্তানের আশায় ৯টা মেয়ে হয়েছে, আজ সেই ৯ মেয়ের মধ্যে ১ জন…. মেডিকেলে পড়তে হলে সে’ /ক্স করতে… বাচ্চারা ঘুমিয়ে পড়েছে তাই মশারি টানাতে যাচ্ছিলাম হঠাৎ মশারির উপরে তাকিয়ে দেখি…see more স্ত্রী বাপের বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার সুযোগে স্বামী ঘরে ডেকে আনেন তার… স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স′’হবা’স করা যা… মেডিকেলে পড়তে হলে সে’ /ক্স করতে… না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি সাবেক ক্রিকেটার…. ঈদের ছুটিতে বাসায় আসার সময় হার*বাল কিনে আনে, রাতে হার*বাল খেয়ে বউ এর…
News Title :
ফুটবল প্রেমি বালক কাঁচা বাঁশের মাথায় প্রিয় দলের পতাকা বেঁধে উড়াতে চেয়েছিল আম গাছের মাথায় হঠাৎ… বাজার এ ছড়িয়ে পরছে ন’কল প্লাস্টিকের ডিম ন’কল প্লাস্টিকের ডিম চিনার উপায় হইল ডি… পুত্র সন্তানের আশায় ৯টা মেয়ে হয়েছে, আজ সেই ৯ মেয়ের মধ্যে ১ জন…. মেডিকেলে পড়তে হলে সে’ /ক্স করতে… বাচ্চারা ঘুমিয়ে পড়েছে তাই মশারি টানাতে যাচ্ছিলাম হঠাৎ মশারির উপরে তাকিয়ে দেখি…see more স্ত্রী বাপের বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার সুযোগে স্বামী ঘরে ডেকে আনেন তার… স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স′’হবা’স করা যা… মেডিকেলে পড়তে হলে সে’ /ক্স করতে… না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি সাবেক ক্রিকেটার…. ঈদের ছুটিতে বাসায় আসার সময় হার*বাল কিনে আনে, রাতে হার*বাল খেয়ে বউ এর…

ফিরিয়ে আনা তরুণী বললো আবারো যাবো দৌ*লত*দিয়া পল্লীতে

  • Reporter Name
  • Update Time : 10:28 am, Wednesday, 13 May 2026
  • 916 Time View

দারিদ্র্যতা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে দিল না ২৪ বছর বয়সী এক তরুণীকে। দৌলতদিয়ার পল্লী হতে উদ্ধার হওয়ার পর তিনি আবারো ফিরে গেলেন তার অন্ধকার জগতে। ঘটনাটি গত বছরের।

ওই তরুণী রাজবাড়ী সদর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার এক দরিদ্র পরিবারের মেয়ে।

৬ বছর আগে এই অন্ধগলিতে পা রেখেছিলেন তিনি। সম্প্রতি মিডিয়া নিউজের পক্ষ থেকে খোজ নিয়ে জানা গেছে, মেয়েটিকে পল্লীতে জোর করে রেখে ব্যবসা করানো হচ্ছিল এমন অভিযোগে করে তাকে উদ্ধারের জন্য রাজবাড়ীর পুলিশ সুপারের নিকট আবেদন করেছিলেন ওই তরুণীর মা।

যার প্রেক্ষিতে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ তাকে দৌলতদিয়া পল্লীর বেবী বাড়িয়ালীর বাড়ি হতে উদ্ধার করে। এরপর খবর দেওয়া হয় তার পরিবারের লোকজনকে। থানায় ছুটে আসেন অসহায় বৃদ্ধ বাবা ও ছোট ভাই। থানায় পুলিশ ও সাংবাদিকদের সামনে উদ্ধার হওয়া তরুণী বলেছিলেন, ‘আমাকে কেউ পল্লী;তে জোর করে রাখেনি। আমি সেখানে ভালোই ছিলাম। আবারো সেখানে ফিরে যাব।’

কেন ফিরে যাবেন জানতে চাইলে ওই তরুণী বলেন, ‘বাড়িতে আমার ৬ বছর বয়সী একটা প্রতিবন্ধী ছেলে রয়েছে। এছাড়া বৃদ্ধ বাবা-মা ও ছোট ভাই আমার উপর নির্ভরশীল। আমি বাড়িতে গেলে সবাইকে না খেয়ে থাকতে হবে।’

তরুণী আরো বলেন, ‘অল্প বয়সে বাবা-মা একটা খারাপ মানুষের সঙ্গে আমাকে বিয়ে দিয়েছিল। সে আমাকে খুব বাজে ভাবে ব্যবহার করতো। খুবই মানসিক অশান্তির মধ্যে ছিলাম।

ভেবেছিলাম বাচ্চা হলে সে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু প্রতিবন্ধী বাচ্চা হওয়ার পর সে আমার উপর খারাপ ব্যবহার আরও বাড়িয়ে দেয়। একপর্যায়ে বেঁচে থাকার তাগিদে নিজেই পল্লীতে গিয়ে নাম লেখাই। গত ৬ বছরে একে একে উম্বার, হালিমুন, সুমি, লালমিয়া ও বেবির বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলাম।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ফুটবল প্রেমি বালক কাঁচা বাঁশের মাথায় প্রিয় দলের পতাকা বেঁধে উড়াতে চেয়েছিল আম গাছের মাথায় হঠাৎ…

ফিরিয়ে আনা তরুণী বললো আবারো যাবো দৌ*লত*দিয়া পল্লীতে

Update Time : 10:28 am, Wednesday, 13 May 2026

দারিদ্র্যতা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে দিল না ২৪ বছর বয়সী এক তরুণীকে। দৌলতদিয়ার পল্লী হতে উদ্ধার হওয়ার পর তিনি আবারো ফিরে গেলেন তার অন্ধকার জগতে। ঘটনাটি গত বছরের।

ওই তরুণী রাজবাড়ী সদর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার এক দরিদ্র পরিবারের মেয়ে।

৬ বছর আগে এই অন্ধগলিতে পা রেখেছিলেন তিনি। সম্প্রতি মিডিয়া নিউজের পক্ষ থেকে খোজ নিয়ে জানা গেছে, মেয়েটিকে পল্লীতে জোর করে রেখে ব্যবসা করানো হচ্ছিল এমন অভিযোগে করে তাকে উদ্ধারের জন্য রাজবাড়ীর পুলিশ সুপারের নিকট আবেদন করেছিলেন ওই তরুণীর মা।

যার প্রেক্ষিতে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ তাকে দৌলতদিয়া পল্লীর বেবী বাড়িয়ালীর বাড়ি হতে উদ্ধার করে। এরপর খবর দেওয়া হয় তার পরিবারের লোকজনকে। থানায় ছুটে আসেন অসহায় বৃদ্ধ বাবা ও ছোট ভাই। থানায় পুলিশ ও সাংবাদিকদের সামনে উদ্ধার হওয়া তরুণী বলেছিলেন, ‘আমাকে কেউ পল্লী;তে জোর করে রাখেনি। আমি সেখানে ভালোই ছিলাম। আবারো সেখানে ফিরে যাব।’

কেন ফিরে যাবেন জানতে চাইলে ওই তরুণী বলেন, ‘বাড়িতে আমার ৬ বছর বয়সী একটা প্রতিবন্ধী ছেলে রয়েছে। এছাড়া বৃদ্ধ বাবা-মা ও ছোট ভাই আমার উপর নির্ভরশীল। আমি বাড়িতে গেলে সবাইকে না খেয়ে থাকতে হবে।’

তরুণী আরো বলেন, ‘অল্প বয়সে বাবা-মা একটা খারাপ মানুষের সঙ্গে আমাকে বিয়ে দিয়েছিল। সে আমাকে খুব বাজে ভাবে ব্যবহার করতো। খুবই মানসিক অশান্তির মধ্যে ছিলাম।

ভেবেছিলাম বাচ্চা হলে সে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু প্রতিবন্ধী বাচ্চা হওয়ার পর সে আমার উপর খারাপ ব্যবহার আরও বাড়িয়ে দেয়। একপর্যায়ে বেঁচে থাকার তাগিদে নিজেই পল্লীতে গিয়ে নাম লেখাই। গত ৬ বছরে একে একে উম্বার, হালিমুন, সুমি, লালমিয়া ও বেবির বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলাম।’