রামিসাকে হ’ত্যা/র সময় ঘরে ছিল আরও একজন, সে হচ্ছে…
Dhaka , Monday, 8 June 2026
News Title :
আমেরিকা এসে বয়স্কদের দেখাশোনার কাজ করবেন এমন কারা আছেন। বেতন ৩০০০ ড-লা-র একজন বাবার কাছে দুনিয়া হলো তার মেয়ে, আর সেই মেয়েকেই যখন… মায়ের লা*শ প’চে যাওয়ায় সন্তানদের সবাই দো’ষ দিল কিন্তু তদন্তে বেরিয়ে এলো ভিন্ন তথ্য জানা গেছে…. কলেজ থেকে দুই বান্ধবীকে নিয়ে দুই বন্ধু ৫ দিন ধরে… না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি সাবেক ক্রিকেটার…. ঈদের ছুটিতে বাসায় আসার সময় হার*বাল কিনে আনে, রাতে হার*বাল খেয়ে বউ এর… বাসা থেকে গার্মেন্টসের কাজের কথা বলে ঢাকা যায়, কিন্তু গার্মেন্টসে কাজ না করে প্রতিরাতে আবা…. মায়ের লা*শ প’চে যাওয়ায় সন্তানদের সবাই দো’ষ দিল কিন্তু তদন্তে বেরিয়ে এলো ভিন্ন তথ্য জানা গেছে…. মেয়েটি বিয়ের দিনে সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলে যে আমার স্বামী… খাটের নিচে গ্রামবাসীরা এসে দেখে একটা ছেলে।পু*লি’শ’কে খবর দিতেই আসল র’হস্যা উ…
News Title :
আমেরিকা এসে বয়স্কদের দেখাশোনার কাজ করবেন এমন কারা আছেন। বেতন ৩০০০ ড-লা-র একজন বাবার কাছে দুনিয়া হলো তার মেয়ে, আর সেই মেয়েকেই যখন… মায়ের লা*শ প’চে যাওয়ায় সন্তানদের সবাই দো’ষ দিল কিন্তু তদন্তে বেরিয়ে এলো ভিন্ন তথ্য জানা গেছে…. কলেজ থেকে দুই বান্ধবীকে নিয়ে দুই বন্ধু ৫ দিন ধরে… না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি সাবেক ক্রিকেটার…. ঈদের ছুটিতে বাসায় আসার সময় হার*বাল কিনে আনে, রাতে হার*বাল খেয়ে বউ এর… বাসা থেকে গার্মেন্টসের কাজের কথা বলে ঢাকা যায়, কিন্তু গার্মেন্টসে কাজ না করে প্রতিরাতে আবা…. মায়ের লা*শ প’চে যাওয়ায় সন্তানদের সবাই দো’ষ দিল কিন্তু তদন্তে বেরিয়ে এলো ভিন্ন তথ্য জানা গেছে…. মেয়েটি বিয়ের দিনে সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলে যে আমার স্বামী… খাটের নিচে গ্রামবাসীরা এসে দেখে একটা ছেলে।পু*লি’শ’কে খবর দিতেই আসল র’হস্যা উ…

রামিসাকে হ’ত্যা/র সময় ঘরে ছিল আরও একজন, সে হচ্ছে…

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধ/র্ষণ ও হ/ত্যার ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আটক হয়েছেন। তার সঙ্গে আরো একজন ছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। রামিসার বাবা ৩ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। এ ঘটনায় আরো লোমহর্ষক তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

রামিসাকে ধ/র্ষ/ণ ও হত্যা/র সময়ে ঘরের একটি কক্ষে স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে সোহেল আটকে রেখেছিলেন বলে একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, পরে মরদেহ টুকরা করে গুম করার প্রস্তুতির সময় রামিসার স্বজন ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েন। এ সময় জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান সোহেল ও তার আরেক সঙ্গী। স্বপ্নাকে তাৎক্ষণিক আটক করেন স্থানীয়রা।

বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে তিনি ধর্ষণ-হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবুল কালাম আজাদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, আসামিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর আসামি সোহেল রানা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। পরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। জবানবন্দি গ্রহণ করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ ছাড়া ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঢাকার আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সোহেল ও স্বপ্নাকে দুটি আদালতে হাজির করে আলাদা আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। সোহেলের জবানবন্দি রেকর্ড এবং স্বপ্নাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে হাজতখানা থেকে কড়া নিরাপত্তায় সোহেলকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে আদালতে হাজির করা হয়।

এদিকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বপ্না বলেছেন, ‘রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণ করে মেরে ফেলেন সোহেল। লাশ গুম করার জন্য মাথা ছুরি দিয়ে কেটে আলাদা করেন এবং দুই হাত কাঁধ থেকে অর্ধ বিচ্ছিন্ন করে মৃতদেহ বাথরুম থেকে এনে শোবার ঘরেরখাটের নিচে রেখে দেন। কাটা মাথা বাথরুমের বালতির মধ্যে রেখে জানালার গ্রিল কেটে সোহেল পালিয়ে যান।’

সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদকারী তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া রিপন বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না নিজ বাসার একটি কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন। সোহেল বাইরে থেকে ওই কক্ষের সিটকিনি লাগিয়ে দেন। এরপর তিনি রামিসাকে ফ্ল্যাটের বাইরে থেকে জোর করে ধরে ভেতরে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন আরেক ব্যক্তি। রামিসা চিৎকার করলে তার মুখ ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। এরপর তাকে বাথরুমের ভেতরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটি অচেতন হয়ে গেলে তাকে হত্যা করা হয়।’

পুলিশ কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান জানান, রামিসাকে হত্যার পর দেহ টুকরো করে মরদেহ গুম করার চেষ্টা শুরু হয়। এ সময় রামিসার পরিবার ও স্থানীয়রা বাইরে থেকে বাসার দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করে। তারা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার আগেই সোহেল ও তার সঙ্গী জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।

আদালতে পুলিশের আবেদনে বলা হয়, হত্যার শিকার রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিশুটিকে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। পরে ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা।

পুলিশ জানায়, ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ পড়ে ছিল। আরেকটি কক্ষের ভেতরে একটি বালতির মধ্যে রাখা ছিল মাথা।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় বুধবার একটি মামলা করার পর তাতে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারসহ মোট তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

আমেরিকা এসে বয়স্কদের দেখাশোনার কাজ করবেন এমন কারা আছেন। বেতন ৩০০০ ড-লা-র

রামিসাকে হ’ত্যা/র সময় ঘরে ছিল আরও একজন, সে হচ্ছে…

Update Time : 05:57 am, Sunday, 24 May 2026

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধ/র্ষণ ও হ/ত্যার ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আটক হয়েছেন। তার সঙ্গে আরো একজন ছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। রামিসার বাবা ৩ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। এ ঘটনায় আরো লোমহর্ষক তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

রামিসাকে ধ/র্ষ/ণ ও হত্যা/র সময়ে ঘরের একটি কক্ষে স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে সোহেল আটকে রেখেছিলেন বলে একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, পরে মরদেহ টুকরা করে গুম করার প্রস্তুতির সময় রামিসার স্বজন ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েন। এ সময় জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান সোহেল ও তার আরেক সঙ্গী। স্বপ্নাকে তাৎক্ষণিক আটক করেন স্থানীয়রা।

বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে তিনি ধর্ষণ-হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবুল কালাম আজাদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, আসামিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর আসামি সোহেল রানা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। পরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। জবানবন্দি গ্রহণ করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ ছাড়া ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঢাকার আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সোহেল ও স্বপ্নাকে দুটি আদালতে হাজির করে আলাদা আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। সোহেলের জবানবন্দি রেকর্ড এবং স্বপ্নাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে হাজতখানা থেকে কড়া নিরাপত্তায় সোহেলকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে আদালতে হাজির করা হয়।

এদিকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বপ্না বলেছেন, ‘রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণ করে মেরে ফেলেন সোহেল। লাশ গুম করার জন্য মাথা ছুরি দিয়ে কেটে আলাদা করেন এবং দুই হাত কাঁধ থেকে অর্ধ বিচ্ছিন্ন করে মৃতদেহ বাথরুম থেকে এনে শোবার ঘরেরখাটের নিচে রেখে দেন। কাটা মাথা বাথরুমের বালতির মধ্যে রেখে জানালার গ্রিল কেটে সোহেল পালিয়ে যান।’

সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদকারী তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া রিপন বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না নিজ বাসার একটি কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন। সোহেল বাইরে থেকে ওই কক্ষের সিটকিনি লাগিয়ে দেন। এরপর তিনি রামিসাকে ফ্ল্যাটের বাইরে থেকে জোর করে ধরে ভেতরে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন আরেক ব্যক্তি। রামিসা চিৎকার করলে তার মুখ ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। এরপর তাকে বাথরুমের ভেতরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটি অচেতন হয়ে গেলে তাকে হত্যা করা হয়।’

পুলিশ কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান জানান, রামিসাকে হত্যার পর দেহ টুকরো করে মরদেহ গুম করার চেষ্টা শুরু হয়। এ সময় রামিসার পরিবার ও স্থানীয়রা বাইরে থেকে বাসার দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করে। তারা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার আগেই সোহেল ও তার সঙ্গী জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।

আদালতে পুলিশের আবেদনে বলা হয়, হত্যার শিকার রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিশুটিকে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। পরে ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা।

পুলিশ জানায়, ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ পড়ে ছিল। আরেকটি কক্ষের ভেতরে একটি বালতির মধ্যে রাখা ছিল মাথা।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় বুধবার একটি মামলা করার পর তাতে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারসহ মোট তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।