Dhaka , Thursday, 30 July 2026

যে ৩ টি লক্ষণ থাকলে কখনো সন্তান হবে না…more

  • Reporter Name
  • Update Time : 09:19 am, Saturday, 25 July 2026
  • 2068 Time View

সন্তান ধারণে সমস্যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। তবে শুধুমাত্র ৩টি লক্ষণ দেখে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে কারও “কখনো সন্তান হবে না”। এমন দাবি বিভ্রান্তিকর। তবুও কিছু লক্ষণ আছে, যেগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

নারীদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মিত বা মাসিক সম্পূর্ণ বন্ধ থাকা, বারবার গর্ভপাত হওয়া অথবা দীর্ঘ এক বছর চেষ্টা করার পরও গর্ভধারণ না হওয়া (৩৫ বছরের বেশি হলে ৬ মাস) চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে।

পুরুষদের ক্ষেত্রেও বীর্যসংক্রান্ত সমস্যা, অণ্ডকোষে ব্যথা বা ফোলাভাব, অথবা যৌনক্ষমতা-সংক্রান্ত দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা থাকলে তা প্রজননক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন্ধ্যাত্বের কারণ শুধু নারী বা শুধু পুরুষ—এমন নয়। উভয়ের শারীরিক অবস্থা, হরমোন, জীবনযাপন, বয়স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত কারণ একসঙ্গে ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তান ধারণের সম্ভাবনা বাড়ানো সম্ভব।

তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর তথ্য বা চটকদার শিরোনাম বিশ্বাস না করে, প্রয়োজনে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বা প্রজননস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পদক্ষেপ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

যে ৩ টি লক্ষণ থাকলে কখনো সন্তান হবে না…more

Update Time : 09:19 am, Saturday, 25 July 2026

সন্তান ধারণে সমস্যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। তবে শুধুমাত্র ৩টি লক্ষণ দেখে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে কারও “কখনো সন্তান হবে না”। এমন দাবি বিভ্রান্তিকর। তবুও কিছু লক্ষণ আছে, যেগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

নারীদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মিত বা মাসিক সম্পূর্ণ বন্ধ থাকা, বারবার গর্ভপাত হওয়া অথবা দীর্ঘ এক বছর চেষ্টা করার পরও গর্ভধারণ না হওয়া (৩৫ বছরের বেশি হলে ৬ মাস) চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে।

পুরুষদের ক্ষেত্রেও বীর্যসংক্রান্ত সমস্যা, অণ্ডকোষে ব্যথা বা ফোলাভাব, অথবা যৌনক্ষমতা-সংক্রান্ত দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা থাকলে তা প্রজননক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন্ধ্যাত্বের কারণ শুধু নারী বা শুধু পুরুষ—এমন নয়। উভয়ের শারীরিক অবস্থা, হরমোন, জীবনযাপন, বয়স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত কারণ একসঙ্গে ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তান ধারণের সম্ভাবনা বাড়ানো সম্ভব।

তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর তথ্য বা চটকদার শিরোনাম বিশ্বাস না করে, প্রয়োজনে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বা প্রজননস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পদক্ষেপ।